মন চলাচলের অন্দরমহলে মানুষের মুক্তি নেই। যুক্তিবুদ্ধির জট ছাড়িয়ে প্রকাশের আলোতেই তাঁর আনন্দ। পায়ে দলা মুথা ঘাস আর গাভীর মতো চরে বেড়ানো সাদা মেঘ-দুইই তাকে ভাবায়। ভূমি থেকে ভূমাতে উত্তোরণের স্বপ্ন ছোটো আমির খোলস সরিয়ে দাঁড় করায় বড়ো রাস্তার মোড়ে। এলোমেলো ভাবনাগুলিকে কালো কালির অক্ষরে বেঁধে তুলে দিতে চান মহাকালের তরীতে। ব্যাস। তবে এর পর হাত গুটিয়ে বসে থাকা নয়, পুনরায় সৃষ্টির পসরা সাজিয়ে বুঝিয়ে দেন চলাই জীবন। জীবনের মহামন্ত্র। সার বস্তু। ঐ সারটুকু পরম যত্নে আগলে রাখাই ‘দিৎসা’র একমাত্র ব্রত।
‘দিৎসা’র পথ চলা শুরু হয়েছিল প্রায় এক দশক আগে ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে। খুব নিয়মিত ছিল না তখন তার পা ফেলা। ছোট্ট শিশুর যেমন টলোমলো পা। এতদিনে সে তার শৈশব-বাল্য কাটিয়ে কৈশোরের দ্বারে এসে দাঁড়িয়েছে। মাঝে মাঝে দু’একটা বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হলেও বিলম্বিত ও বাঁধনহারা ছিল তার সেই প্রকাশ।এখনো পর্যন্ত পাঁচটি সংখ্যা প্রকাশের আলো দেখেছে। কিন্তু নতুন উদ্যমে শক্তি সঞ্চয় করে এবার সে লেগে পড়ল জ্ঞানরাজ্যের অবাধ পরিভ্রমণে। আশা করি তার পদক্ষেপে আর কোনো বেতালা সুর বাজবে না।
আমাদের এই ষান্মাসিক পত্রিকা বিশুদ্ধভাবেই গবেষকদের আত্মপ্রকাশের উন্মুক্ত ক্ষেত্র। তাই বিদ্যাশৃঙ্খলা-কেন্দ্রিক গবেষণার যাবতীয় বিধি-নিষেধ মেনেই লেখা প্রেরণের আহ্বান করি আমরা। লেখা হওয়া চাই মৌলিক ও প্রতিস্বিক চিন্তাচর্চায় ঋদ্ধ। আমরা মূল্যমানে বিশ্বাসী, মূল্যায়নেও।